Tuesday, December 30, 2025

সাংবাদিকবান্ধব রাজনীতির এক স্মরণীয় অধ্যায়

 


বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক দীর্ঘ ও আলোচিত অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নয়, দেশের গণতান্ত্রিক পরিসর ও সাংবাদিক সমাজও একজন পরিচিত মুখ, একটি অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে হারাল।


বেগম খালেদা জিয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক, মতপার্থক্য ও সমালোচনা ছিল—এবং থাকবে। কিন্তু এর বাইরেও একটি বিষয় স্বীকার করতেই হয়, সাংবাদিক সমাজের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল তুলনামূলকভাবে সম্মানজনক ও মানবিক। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতায় থেকেও তিনি গণমাধ্যমকে পুরোপুরি প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখেননি—এটাই ছিল তাঁর বড় বৈশিষ্ট্য।


সাংবাদিকদের অনেকের স্মৃতিতে আজ ভেসে উঠছে সেই সব দিন—যখন কোনো সভা, সমাবেশ বা রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে গিয়ে তিনি উপস্থিত সংবাদকর্মীদের খোঁজখবর নিতেন। সাংবাদিকরা ঠিকমতো বসতে পারছেন কি না, কাজ করতে কোনো অসুবিধা হচ্ছে কি না—এসব বিষয় তাঁর দৃষ্টির বাইরে থাকত না। ক্ষমতার উচ্চতম আসনে থেকেও এমন সংবেদনশীলতা খুব বেশি নেতার মধ্যে দেখা যায় না।


প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর শাসনামলেই দেশে বেসরকারি ইলেকট্রনিক মিডিয়ার যাত্রা শুরু হয়। আজকের বহুমুখী গণমাধ্যম বাস্তবতার পেছনে সেই সময়ের সিদ্ধান্তগুলোর ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। গণমাধ্যমের এই বিস্তৃতি সাংবাদিকদের কর্মক্ষেত্র বাড়িয়েছে, মতপ্রকাশের সুযোগ তৈরি করেছে এবং গণতন্ত্রের কাঠামোকে শক্ত করেছে।


সমালোচনামূলক প্রশ্ন বা প্রতিবেদন—সব সময়ই রাজনীতিবিদদের জন্য অস্বস্তিকর। তবুও বহু সাংবাদিকের অভিজ্ঞতা বলছে, বেগম খালেদা জিয়া প্রশ্নের মুখোমুখি হতে ভয় পাননি। মতভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকারকে পুরোপুরি অস্বীকার করার প্রবণতা তাঁর মধ্যে ছিল না।


আজ যখন সাংবাদিকরা নানা চাপ, নিরাপত্তাহীনতা ও সংকুচিত পরিসরের মধ্য দিয়ে কাজ করছেন, তখন একজন সাংবাদিকবান্ধব রাজনৈতিক নেতৃত্বের গুরুত্ব নতুন করে উপলব্ধি হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু সেই শূন্যতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।


এই সম্পাদকীয় কোনো ব্যক্তি-আরাধনা নয়, বরং একটি বাস্তব মূল্যায়ন—গণতন্ত্র, রাজনীতি ও সাংবাদিকতার সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত, তার একটি উদাহরণ স্মরণ করা। ইতিহাস তাঁর ভূমিকা বিচার করবে নানা দৃষ্টিকোণ থেকে। কিন্তু সাংবাদিক সমাজের স্মৃতিতে তিনি থাকবেন এমন একজন নেত্রী হিসেবে, যিনি অন্তত সম্মান দিতে জানতেন।


তাঁর বিদায়ে শোকাহত সাংবাদিক সমাজ আজ সেই সম্মানের কথাই স্মরণ করছে।


Thursday, December 25, 2025

সিস্টেম বদলালে দেশ বদলাবে

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসন ও সেবা কাঠামোকে যুগের চাহিদা অনুযায়ী রূপান্তর করতে হলে এখনই নতুন চিন্তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে, কারণ আমাদের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বহু ক্ষেত্রে পুরনো নীতিকাঠামো, জটিল প্রক্রিয়া, অকার্যকর ব্যবস্থাপনা এবং জবাবদিহিতার দুর্বলতার কারণে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে; দীর্ঘদিনের স্থায়ী চাকরি নির্ভর নিরাপত্তাবোধ অনেক কর্মীকে দায়িত্বহীনতায় অভ্যস্ত করেছে, সময়ের হিসাব-নিকাশে কাজের গতি কমে যাচ্ছে, আর জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে জনগণের অধিকারই যেন উপেক্ষিত থাকে; এ বাস্তবতায় সরকারি সব প্রতিষ্ঠানকে চুক্তিভিত্তিক করা এবং মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির সিস্টেম অনুসরণ করার দাবি এখন সময়েরই দাবি। উন্নয়নশীল বাংলাদেশ পুরনো আমলাতান্ত্রিক ধীরগতি নিয়ে সামনে এগোতে পারে না—বিশ্ব প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে প্রশাসনে সুশাসন, দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও উদ্ভাবনচর্চা নিশ্চিত করা জরুরি; চুক্তিভিত্তিক নিয়োগব্যবস্থা কর্মক্ষেত্রে নতুন শৃঙ্খলা ও দায়বদ্ধতা তৈরি করতে পারে, যেখানে প্রত্যেক কর্মী জানবেন—পদ নয়, কর্মদক্ষতাই হবে তার মূল পরিচয়; চাকরি সুরক্ষার ভরসা নয়, বরং সেবা সুরক্ষা হবে রাষ্ট্রের লক্ষ্য; দুর্নীতি, অবহেলা, স্বজনপ্রীতি ও তদবিরনির্ভর পদোন্নতির মতো প্রশাসনিক ব্যাধি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমে আসবে, কারণ নির্দিষ্ট সময় পর পর কর্মফল পর্যালোচনা করে চুক্তি নবায়ন হবে; পাশাপাশি মাল্টিন্যাশনাল প্রতিষ্ঠানগুলোর সিস্টেম বা কালচারের অনুসরণ সরকারি ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিশ্বমানের কর্মপরিবেশ তৈরি করতে পারে, যেখানে সময়ানুবর্তিতা, প্রযুক্তি নির্ভরতা, লক্ষ্যভিত্তিক কাজ, নিয়মিত প্রশিক্ষণ, দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ এবং ফলাফল ভিত্তিক মূল্যায়ন থাকবে বাধ্যতামূলক; বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর মতো পারফরম্যান্স বেইজড সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হলে কর্মীদের মাঝে উদ্যম বাড়বে, প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে ইতিবাচক, আর প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক মানোন্নয়ন ঘটবে দ্রুত; ইতোমধ্যে অনেক উন্নত দেশ সরকারি চাকরিতে এ ধরনের পরিবর্তন এনে সেবা ব্যবস্থাকে জনগণের কাছে আরও কাছে নিয়ে গেছে, সেবাপ্রাপ্তির সন্তুষ্টিও বেড়েছে বহু গুণ, ফলে উন্নয়নও হয়েছে টেকসই ও স্বচ্ছ; বাংলাদেশ কেন সেই পথে হাঁটবে না? যদি আজও আমাদের প্রশাসন ধীরগতি, অদক্ষতা ও অনিয়মের বেড়াজালে আটকে থাকে, তবে আধুনিক স্মার্ট বাংলাদেশ কিভাবে গড়ে উঠবে? তাই সময় এসেছে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিবর্তনের অগ্রযাত্রায় যুক্ত করার—সিস্টেম বদলান, সেবা বদলান, দেশ এগিয়ে নিন; অবশ্য এই রূপান্তরের পথে কিছু চ্যালেঞ্জও আছে—যেমন রাজনৈতিক অযাচিত প্রভাবমুক্ত মূল্যায়ন নিশ্চিত করা, মানবিক সুরক্ষা বজায় রাখা, অভিজ্ঞ কর্মীদের যথাযথ ব্যবহারের ব্যবস্থা করা এবং দেশীয় বাস্তবতা অনুযায়ী ধাপে ধাপে এই পরিবর্তন কার্যকর করা; তবে চ্যালেঞ্জকে ভয় করলে অগ্রগতি থেমে যায়, বরং সঠিক পরিকল্পনা ও সততার মাধ্যমে এগুলো মোকাবিলা করাই হবে রাষ্ট্রের দায়িত্ব; সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে—এই পরিবর্তন যেন কর্মীদের শত্রু না হয়ে তাদের সক্ষমতার বিকাশে পরিণত হয়; যেন প্রতিটি কর্মী বুঝে নেন—তিনি আর শুধু চাকরিজীবী নন, বরং জনগণের সেবক, দেশের উন্নয়নযাত্রার যোদ্ধা; যখন দক্ষতাই হবে সাফল্যের চাবিকাঠি, সক্রিয়তা হবে দায়িত্বের প্রমাণ, এবং জনগণের সন্তুষ্টিই হবে সেবার মূল মূল্যায়ন—তখন বদলে যাবে সরকারি প্রশাসনের চেহারা; দুর্নীতি, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, বিলম্ব, ফাইলবন্দি উন্নয়ন—সবকিছুই হবে অতীতের ইতিহাস; জনগণ তখন অনুভব করবে—হ্যাঁ, সরকারি প্রতিষ্ঠান সত্যিই জনগণের; তাই বলা যায়—উন্নয়ন হবে বাস্তবে, প্রতিশ্রুতির ভাষণে নয়; সময় এখনই—চুক্তিভিত্তিক সক্ষমতা আর মাল্টিন্যাশনাল ব্যবস্থার সমন্বয়ে জনগণের সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠার; কারণ একটাই সত্য—দেশ বদলাতে হলে সিস্টেম বদলাতেই হবে।


  • মোকাররম হোসেন শুভ

(সাংবাদিক ও কলামিস্ট)



Reinvent the System. Reimagine the Nation.


To transform Bangladesh’s state administration and public service structure according to the needs of the time, it is now essential to adopt innovative thinking and realistic reforms, because many of our government institutions have failed to meet public expectations due to outdated policy frameworks, complicated procedures, inefficient management, and a weak culture of accountability; the long-standing security of permanent jobs has made many employees indifferent to responsibility, productivity has slowed down, and citizens’ rights in institutions funded by their own taxes are often ignored; in this situation, introducing contract-based employment across government institutions and following multinational corporate systems has become a timely necessity. A developing country like Bangladesh cannot move forward with old bureaucratic slowness—global competition demands good governance, efficiency, transparency, and innovation within administration; a contract-based system can enforce discipline and responsibility among employees, where everyone will know that their identity depends on their performance, not on their position; job security will no longer be the priority—service security for citizens will be the core objective of the state. Corruption, negligence, favoritism, and political lobbying for promotions will naturally decline because employment contracts will be renewed based on work performance at set intervals; meanwhile, adopting the system and culture of multinational companies can build a world-class work environment in government organizations, where punctuality, technology-driven service, target-based responsibilities, regular training, opportunities for skill development, and result-driven evaluation will be mandatory; a performance-based culture—similar to that of multinationals—will increase motivation among employees, create healthy competition, and accelerate the overall improvement of institutions. Many developed nations have already implemented such models and successfully made public services more accessible and more satisfying for their citizens, resulting in sustainable and transparent development; why can’t Bangladesh take the same path? If our administration continues to remain stuck in slow, inefficient and flawed systems, how will a modern Smart Bangladesh be built? Therefore, it is high time to bring government institutions into a forward-moving transformation—change the system, change the service, move the nation forward. Of course, this reform will face challenges—such as ensuring evaluation free from political influence, maintaining humane job security, properly utilizing experienced officials, and implementing the transition gradually according to Bangladesh’s social realities; but progress cannot stop for fear of challenges—proper planning and integrity can overcome them. The key is to ensure that this change does not become an adversary to employees but instead becomes a pathway for enhancing their capabilities; every employee must realize they are not merely job-holders, but rather servants of the people and contributors to national development; when skill becomes the key to success, when activeness becomes proof of responsibility, and when public satisfaction becomes the primary metric of evaluation—then the face of public administration will truly change; corruption, political interference, delays, and development stuck in files will become relics of the past; people will then truly feel—yes, public institutions now belong to the public. In short, development must come in action, not in speeches; and the time is now—to establish people-centric government services through contract-based efficiency and multinational-style management; because ultimately, one truth stands above all—to change the country, the system must change first.

 

Mokarram Hossain Shuva (Journalist & Columnist)

 


Wednesday, December 24, 2025

“জোট রাজনীতিতে অনাস্থা: বিএনপির সঙ্গে না গিয়ে একক নির্বাচনের পথে এলডিপি”

 নিজস্ব প্রতিবেদক


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে জোট না করে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)। দলটির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ অভিযোগ করে বলেছেন, বিএনপি তাদের যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি।


বুধবার রাজধানীর মগবাজারে এলডিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।


ড. কর্নেল অলি বলেন, এলডিপির পক্ষ থেকে বিএনপিকে ১৪ জন প্রার্থীর একটি শর্ট লিস্ট দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই তালিকাকে কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এমনকি দলের শীর্ষ নেতারা দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করেও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


তিনি আরও বলেন, এলডিপিকে টিকিয়ে রাখতে বিএনপি চাইলে অন্তত শর্ট লিস্টের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে পারত। আমরা কখনোই বলিনি তালিকাভুক্ত সবাইকে মনোনয়ন দিতে হবে। কিন্তু সম্পূর্ণ অবহেলা করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এলডিপি এককভাবেই সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে।


Tuesday, December 23, 2025

নোয়াখালীতে চর দখল নিয়ে সং/ঘ/র্ষ, নি/হ/ত ৫

নোয়াখালীর হাতিয়ার জাগলার চর দখলকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ৫ নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে বহু। মঙ্গলবার ২৩ ডিসেম্বর হাতিয়া থানার ওসি এ  তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, নোয়াখালীর হাতিয়ার জাগলার চর দখলকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে  অন্তত ৫ নিহত হয়েছে। আহত অনেকে।

মৌলভীবাজারে সাংবাদিকসহ পাঁচ জুলাই যোদ্ধাকে হত্যার হুমকি


মৌলভীবাজারে একজন সাংবাদিকসহ পাঁচজন জুলাই যোদ্ধাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।


রোববার (২১ ডিসেম্বর) ফেসবুকে প্রাপ্ত হুমকির ঘটনায় জুলাই যোদ্ধা মো. মুজাহিদুল ইসলাম শ্রীমঙ্গল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।


হুমকির শিকারদের মধ্যে রয়েছেন:


  • শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ মো. এহসানুল হক
  • ইসলামী ছাত্র ঐক্য পরিষদ শ্রীমঙ্গলের আহ্বায়ক মো. মুজাহিদুল ইসলাম
  • মৌলভীবাজার জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক নিলয় রশিদ
  • ইসলামী ছাত্র ঐক্য পরিষদ শ্রীমঙ্গলের আহ্বায়ক নাঈম হাসান
  • এনসিপির জেলা কমিটির সদস্য হায়দার আলী



জিডিতে বলা হয়েছে, রোববার দুপুর ১টা ২৯ মিনিটে ‘নো ক্যাপশন’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে মো. মুজাহিদুল ইসলামের ফেসবুক আইডিতে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। একই বার্তায় আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তাদেরও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। বার্তায় অশালীন ও ভয়ংকর ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে।


মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত ফেসবুক আইডি, মেসেঞ্জার ও কমেন্টের মাধ্যমে ভয়ভীতি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে আমাদের নিরাপত্তা গুরুতরভাবে ঝুঁকিতে পড়েছে। প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া ও আমাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানাই।”


শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ মো. এহসানুল হক জানান, “আমি দীর্ঘদিন ধরেই অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে পেশাদারিত্বের সঙ্গে সংবাদ প্রকাশ করছি। এ কারণে কিছু ফ্যাসিবাদী ও অপরাধচক্রের সদস্য আমাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকি দিচ্ছে। এর আগে আমাকে সড়কে হামলারও চেষ্টা করা হয়েছিল।”


শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, “একটি সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। আদালতের অনুমতি নিয়ে প্রাপ্ত তথ্য ও স্ক্রিনশট যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


দাগনভূঞায় যাকাত বিতরণে হামলার অভিযোগ, সাংবাদিক পরিবারে আতঙ্ক; জামিনে থেকেও হুমকির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক  ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় দরিদ্র মানুষের মাঝে যাকাত বিতরণ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হামলা, মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়...